Visitor Countor

Friday, 5 March 2021

কান্থারিস

 

(1)cÖPÛ cÖjvc, µ›`b, Ges D”P¯^‡i wPrKvi ev KzKz‡ii b¨vq, Ziæb D¤§`bv, mvavibZ †hŠb msµvšÍ welq

(2) Av¸‡b cywoqv hvIqv‡nZz R¡vjv

(3) Mjv, eyK, cvK¯’jx, wW¤^ †Kvl, cÖmve Øvi, cÖf…wZ‡Z wVK cywoqv hvIqvi b¨vq R¡vjv

(4) cvb, ZvgvK LvIqvq wei³

(5) AZ¨všÍ `ye©jZvi mwnZ kwi‡ii ewn©fv‡M I Af¨šÍ‡i AZ¨všÍ Rvjv I UvUvbx e¨v_v

(6) cÖ¯ªv‡ei c~‡e©, cÖ¯ªv‡ei mg‡q, I cÖ¯ªv‡ei c‡i cÖPÛ R¡vjv

(7) cÖPÛ cÖ¯ªv‡e †eM I gyÎbvjxi g‡a¨ P’jKvbx

(8) cÖ¯ªv‡e †Kv_wb I †eM

(9) me©`v cÖ¯ªve Z¨v‡Mi B”Qv I cÖwZevi †dvUv †dvUv K‡i cÖ¯ªve wbM©Z nq Ges Dnv i³ wgwkÖZ

(10) bvK gyL, Aš¿, cÖmªve Øvi w`qv i³ wbM©gb|

(11) i³ ¯ªve

(12) Kv‡gv‡ËRbv

(13) cv‡bi wc‡Ki gZ jvj e‡b©i en¨

(14) P‡g© †cvov †dv¯‹vi gZ D‡™¢` Dnv cv‡K I Nv nq|

(15) Mvj, Mjv, gw¯Í¯‹, dzmdzm, †cU, ¸n¨Øvi ,BZ¨vw` cÖ`vn I cÖ¯ªv‡e KZ©be` †e`bv|

e„w×= ¯ú‡k©, †Kn Zvnvi w`‡K AMÖmi n‡j, cÖmªve Kivi mgq, VvÛ Rj cv‡b, Kwd LvB‡j, myiv cv‡b e„w× nq|

Dcmg = g`©‡b, Nl©‡b, kq‡b, DËv‡c

Tuesday, 28 June 2016

How to Australia jurny


অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী বসবাসের সুযোগ বাংলাদেশিদের


অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী বসবাসের সুযোগ বাংলাদেশিদের

অস্ট্রেলিয়া সরকারের অভিবাসন বিষয়ক বিভাগ ডিপার্টমেন্ট অব ইমিগ্রেশন অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (ডিআইবিপি) ইতোমধ্যে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জন্য পেশাগত দক্ষতার পরিবর্তিত ও নতুন তালিকা প্রস্তুত ও প্রকাশ করেছে। আগামী ১ জুলাই থেকেই এটি কার্যকর হবে।

নতুন তালিকা অনুযায়ী বিভিন্ন পেশায় দক্ষ ব্যক্তিরা সপরিবারে অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসনের জীবনযাপনের সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশের জন্যই এ সুযোগ উন্মুক্ত।

আন্তর্জাতিক অভিবাসনবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজু বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসনের ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তিতে বিশেষজ্ঞ,অ্যাকাউন্টিং ও ফিন্যান্স, মার্কেটিং বা সেলস, ব্যাংকার, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কৃষিজীবী, নার্স বা অন্য যে কোনো পেশায় দক্ষদের জন্য বিশেষ সুযোগ থাকছে।

অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ওয়েবসাইটে দেখা যায়, নতুন পেশা তালিকায় যুক্ত হয়েছে। আবার কিছু বাদও পড়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ওয়েবসাইটে অভিবাসন বিষয়ে দেশটির ঘোষণা এবং পেশার পরিবর্তিত তালিকাটি দেখতে চাইলে ক্লিক করুন। https://www.border.gov.au/Trav/Work/Work/Skills-assessment-and-assessing-authorities/skilled-occupations-lists/SOL

অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, আবেদন করার প্রাথমিক যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে শিক্ষাগত যোগ্যতা, যা কাজের দক্ষতার সঙ্গে সম্পৃক্ত। আবার ইংরেজি ভাষার দক্ষতা প্রমাণের পরীক্ষা আইইএলটিএসের স্কোর নিয়েও ভিন্নতা দেখা যায়। আইইএলটিএসের সর্বনিম্ন সীমা সাড়ে চার থেকে শুরু করে আট পর্যন্ত আছে। ভাষাগত বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসনবিষয়ক ওয়েবসাইটের তথ্য দেখতে চাইলে ক্লিক করুন। https://www.border.gov.au/Lega/Lega/Form/Immi-FAQs/aelt

সাউথ অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন

সাউথ অস্ট্রেলিয়া রাজ্যের অভিবাসনেও পরিবর্তন আসছে। এ জন্য ৩০ জুন থেকেই সাউথ অস্ট্রেলিয়া রাজ্যের জন্য অভিবাসনের আবেদন করার ব্যবস্থাটি বন্ধ থাকবে। আগামী ৪ জুলাই পরিবর্তিত পেশার তালিকা কার্যকরের সঙ্গে সঙ্গে অভিবাসনের আবেদন করার সুযোগও পুনরায় চালু হবে।

সাউথ অস্ট্রেলিয়া রাজ্যের অভিবাসনবিষয়ক সরকারি ওয়েবসাইটের তথ্য দেখতে চাইলে ক্লিক করুন।

http://www.migration.sa.gov.au/news-events/news-releases/revised-south-australian-state-nominated-occupation-list-from-4-july-2016

অভিবাসনবিষয়ক আইনজীবী ড.শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজু বলেন, পরিবর্তিত তালিকায় কিছু নির্দিষ্ট পেশা সুবিধা পাবে। আবার কিছু পেশার ক্ষেত্রে ইংরেজির দক্ষতা ও চাকরির অভিজ্ঞতার শর্ত কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। যেমন, প্রযুক্তিবিষয়ক পেশাসহ অফশোর ভিসার আবেদনকারী এবং এর মাধ্যমে সাউথ অস্ট্রেলিয়া রাজ্যে নমিনেশন চাইতে গেলে আগের চেয়ে বেশি দক্ষতা দেখাতে হবে। এ ক্ষেত্রে এখন ৭০ পয়েন্ট লাগবে। স্টেট নমিনেশনের জন্য অন্যান্য শর্ত আগের মতোই থাকছে। তবে কোনো আবেদনকারীর সাউথ অস্ট্রেলিয়া থেকে স্নাতক করা হলে বা সেখানে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে নতুন আইন প্রযোজ্য হবে না।

অস্ট্রেলিয়ায় চিকিৎসকদের স্থায়ী অভিবাসন

ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজু বলেন, স্থায়ী অভিবাসনের জন্য সারা বিশ্বের চিকিৎসকদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে আছে অস্ট্রেলিয়া। ক্লিনিক্যাল, নন-ক্লিনিক্যাল ও স্কিল মাইগ্রেশন এই তিনটি শ্রেণিতে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী অভিবাসন নিতে পারেন চিকিৎসকরা।

অস্ট্রেলিয়া সরকারের অভিবাসন বিভাগের ওয়েবসাইটে চিকিৎসক হিসেবে দেশটিতে স্থায়ী অভিবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দেখতে ক্লিক করুন। https://www.border.gov.au/Trav/Work/Work/Allocation-dates-for-General-Skilled-Migration-applications/migration-medical

অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন বিষয়ে আরো তথ্য জানতে আন্তর্জাতিক অভিবাসনবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত পাঠাতে পারেন এই ই-মেইল ঠিকানায় advahmed@outlook.com, raju.advocate2014@gmail.com এবং mausumimau2015@gmail.com। এ ছাড়া জীবনবৃত্তান্ত পাঠাতে পারেন হোয়াটসঅ্যাপ অথবা ভাইবারে +৬০১৬৮১২৩১৫৪ এবং +৬০১৪৩৩০০৬৩৯ নম্বরে।



বিডি-প্রতিদিন/ ২৮ জুন, ২০১৬/ সোহাগ/ আফরোজ

Monday, 7 December 2015

তেলাপিয়া খাচ্ছেন তো মৃত্যুর দিকে এগোচ্ছেন!

তেলাপিয়া খাচ্ছেন তো মৃত্যুর দিকে এগোচ্ছেন!

fishশেয়ারবাজার ডেস্ক: কাঁচামরিচ-সর্ষে দিয়ে তেলাপিয়ার ঝাল, পেঁয়াজ-মরিচকুচি দিয়ে ভুনা কিংবা স্রেফ ঝোল। মাসে অন্তত কয়েকবার পাতে পড়ে না, এমন বাঙালি মেলা ভার। দামও তুলনামূলকভাবে কম। ডাক্তাররা বলেন, শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিডের চাহিদা মেটাতে ছোট মাছের বিকল্প নেই। কিন্তু তেলাপিয়া মাছ থেকে সাবধান। কারণ, তেলাপিয়ায় ব্যাপক স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে।
তেলাপিয়া রান্না করা সহজ, কাঁটা বেশি থাকে না, খেতে সুস্বাদু হলেও পারলে এখনই খাওয়া বন্ধ করুন। না-হলে অ্যাজমা, করোনারি ডিজিজ, হাড় ক্ষয়ের মতো নানা রোগ, এমনকি ক্যান্সারের মতো মারণ রোগও অচিরেই বাসা বাঁধতে পারে শরীরে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, তেলাপিয়ায় ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ অন্যসব মাছের তুলনায় কম। ফলে মাছ হিসেবে তেলাপিয়া খাওয়া হলেও তা অন্য মাছের মতো উপকারি নয়। পাশাপাশি এর ক্ষতিকর দিকগুলোও বিদ্যমান। এ ছাড়া তেলাপিয়া মাছে রয়েছে উচ্চমাত্রায় অ্যারাচিডোনিক এসিড।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েক ফরেস্ট ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের প্রফেসর ড. ফ্লয়েড চিলটন বলেছেন, ‘আপনার চিকিৎসক বা কার্ডিওলজিস্ট যদি বেশি করে মাছ খেতে বলে তাহলে আপনার উচ্চমাত্রায় ওমেগা-৩ রয়েছে এমন মাছ খেতে হবে। এখানে উচ্চমাত্রায় উদ্দীপনাময় বিকল্প বাদ দিতে হবে।’
তেলাপিয়ার মতো চাষের মাছগুলোতে ফ্যাটি এসিড ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬-এর ক্ষতিকর উপস্থিতি থাকে। এ থেকে মানবশরীরে প্রদাহ তৈরি হতে পারে।
প্রাকৃতিক জলাশয়ের মাছের চেয়ে চাষ করা মাছে ১০ গুণ বেশি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী দূষিত পদার্থ থাকে। মূলত চাষ করা মাছের খাবারে এসব পদার্থ থাকে। চাষ করা তেলাপিয়ায় এসব উপাদান থাকতে পারে। তাই এগুলো খাওয়া ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় পাওয়া যায়, চাষ করা তেলাপিয়ায় শরীরে প্রদাহ তৈরি হতে পারে। এসব প্রদাহের ফলে হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন রোগ, আর্থাইটিস, অ্যাজমা হতে পারে। গবেষণায় এ-ও দেখা গেছে, হ্যামবার্গার খেয়ে শরীরে যে প্রদাহ তৈরি হয়, তার চেয়ে বেশি হতে পারে তেলাপিয়া খেলে।
চাষ করা তেলাপিয়ায় বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ডায়োক্সিন থাকতে পারে। এ ডায়োক্সিন মানবশরীরে দীর্ঘদিন পর্যন্ত চক্রাকারে ক্রিয়া করতে পারে। এতে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
একটি জলাশয়ে তেলাপিয়ার মতো মাছগুলো বিপুল পরিমাণে মাছ চাষ করা হয়। এসব মাছ রোগপ্রবণ। তাই এগুলোকে জিইয়ে রাখতে অ্যান্টিবায়োটিক ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। এ জাতীয় মাছ খেলে এ ক্ষতিকর উপাদানগুলো মানবদেহে প্রবেশ করতে পারে। এ থেকে হতে পারে প্রাণঘাতী রোগ।
আমাদের দেশে তেলাপিয়া চাষ করার সময় চাষিরা সরাসরি মুরগির বিষ্ঠা কিংবা অন্য কোনো প্রাণীর বিষ্ঠা খেতে দেন। অনেক মাছের খামারে তেলাপিয়া মাছ এ খাবার খেয়েই বড় হয়। এমনকি কোনো কোনো মুরগির খামার সরাসরি পুকুরের ওপরই তৈরি হয় যেন মুরগির বিষ্ঠা সরাসরি তেলাপিয়া মাছ খেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরাসরি প্রাণীর বিষ্ঠা তেলাপিয়া মাছকে খাওয়ানো হলে তাতে উপস্থিত বিষাক্ত পদার্থ মানুষের দেহে প্রবেশ করার আশঙ্কা থাকে।
বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি গবেষণায় তেলাপিয়া সম্পর্কে মারাত্মক তথ্য উদ্ঘাটন করেছেন। দেখা গিয়েছে, তেলাপিয়া মাছের থাকা উপাদান শরীরকে ধীরে ধীরে শেষ করে। এক কথায়, স্লো পয়জন। অর্থাৎ তেলাপিয়া খাচ্ছেন তো মৃত্যুর দিকে এগোচ্ছেন! এবার আপনিই সিদ্ধান্ত নিন।

Monday, 5 October 2015

Banana frut is god for health


bananaশেয়ারবাজার ডেস্ক: অতি পরিচিত সস্তা একটি ফল হল কলা। সারা বছর পাওয়া যায় এই ফলটি। কিন্তু এই ফলটি খেতে আমরা অনেকেই পছন্দ করি না। আবার অনেকে মনে করেন কলা শরীরকে মোটা করে তোলে। অথচ নিয়মিত কলা খেলে হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। কলা দৈনন্দিন অনেক পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে দেহকে সুস্থ রাখে। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন একটি কলা, আর দেখুন এর ম্যাজিক।
১। কলা একটি আঁশযুক্ত ফল। এটি হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে থাকে।  হজমের সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন একটি করে কলা খান।
২। শরীরে হিমোগ্লোবিন ও ইনসুলিনের জন্য প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-বি৬ প্রয়োজন। আর কলাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-বি৬ আছে, যা দেহে পুষ্টি যোগিয়ে থাকে।
৩। প্রতিদিন ৩টি করে কলা খেলে আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করবে। যাঁরা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন, তাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কলা রাখুন, দেখবেন রক্তচাপ আপনার নিয়ন্ত্রনে চলে এসেছে।
৪। প্রতিদিন ব্যায়াম করার আগে ২ টি কলা খেয়ে নিন। এটি আপনার দেহের রক্তে শর্করার পরিমান ঠিক রাখবে এবং তার সাথে ব্লাড সুগারও নিয়ন্ত্রন করবে।
৫। কলাতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে। ফলে নিয়মিত কলা গেলে দেহের রক্ত শূন্যতা দূর হয়ে যায়।
৬। কলা ওজন কমাতেও সাহায্য করে থাকে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, কলা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরার অনুভূতি দিয়ে থাকে। ফলে অন্য কোন খাবার খাওয়ার রুচি ও আগ্রহ থাকে না। যা ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে।
৭। এক গবেষণায় বলা হয়েছে আঁশযুক্ত খাবার কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমিয়ে থাকে। প্রতিদিন কলা খান আর হৃদ রোগ থেকে দূরে থাকুন।
৮। শরীরের পেশির সুস্থতার জন্যও কলা বেশ উপকারী। ব্যায়ামের আগে কিংবা পরে কলা খান এটি আপনার পেশীর সমস্যা দূর করবে এবং পায়ের মজবুত পেশী গঠনে সাহায্য করে।
৯। আমরা অনেকই মনে করে থাকি লেবু, আর কমলাতেই শুধু ভিটামিন সি আছে। কিন্তু মজার ঘটনা কলাতেও পাওয়া যায় কিছু পরিমাণে ভিটামিন সি। এছাড়া প্রয়োজনীয় অনেক পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায় কলা থেকে।
১০। কলাতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগসিয়াম আছে যা বিষণ্ণতা দূর করতে সাহায্য করে। আমরা অনেক সময় বিভিন্ন করাণে বিষণ্ণতায় ভুগে থাকি। এই বিষণ্ণতা দূর করতে কলা অনেক বেশি কার্যকরী।
১১। কলা দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে। কলাতে প্রচুর পরিমাণের ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন, মিনারেল আছে যা দেহের এনার্জি লেভেল ঠিক রেখে শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে। প্রতিদিন নাস্তায় ১টি কলা রাখুন এটি আপনাকে সারা দিনে কাজে এনার্জি দিবে।
১২। কলাতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম আছে যা মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবারহ করে থাকে। এটি দেহের পানির পরিমাণ ঠিক রাখতে সাহায্য করে থাকে।

Wednesday, 30 September 2015

What is Life !


যে জন্য কাঁদলেন মোদি! (ভিডিও)


modiশেয়ারবাজার ডেস্ক: প্রসঙ্গটা তুলেছিলেন ফেসবুক কর্তা মার্ক জুকারবার্গই। মেনলো পার্কে উপস্থিত দর্শকদের সঙ্গে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কথোপকথনের সময় জুকারবার্গ বলেন, “আপনিও তো আপনার পরিবারকে ভালবাসেন। শুনেছি আপনার মা-ই আপনার আদর্শ।”
এর আগেও বহু প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন মোদী। এবং তা দিচ্ছিলেন বেশ স্বাভাবিকভাবেই। সেইমত এই প্রসঙ্গেও কথা বলা শুরু করেন। প্রথমেই তিনি দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “আমার দেশ ভারত বলেই একজন চা বিক্রেতাকে দেশবাসী তাদের নেতা বানিয়েছেন। আমি স্টেশনে চা বেচতাম।”
এরপরেই বলতে শুরু করেন মায়ের প্রসঙ্গে। বলেন, ‘আমার মা অন্যের বাড়িতে বাসন মাজতেন আমাদের পড়াশোনা করানোর জন্য। খুব গরিব পরিবারে আমি বড় হয়েছি।’ বলতে বলতে হঠাৎ থেমে যান মোদী। চারপাশে শয়ে শয়ে ক্যামেরার লেন্স তাঁর দিকে। সে কথা বিলক্ষণ জানেন মোদী। কিন্তু আবেগকে বাঁধ মানাতে পারলেন না দেশের তাবড় নেতাও। মায়ের কথা বলতে বলতে গলা ধরে এল।
কিছুক্ষণ বলার চেষ্টা করলেন, আমার বাবা আর নেই। মা’রও বয়স হয়েছে প্রায় ৯০। তিনি নিজেই নিজের সব কাজ করেন।” ব্যাস! আর গলা দিয়ে শব্দ বেরোচ্ছে না। কয়েক সেকেন্ড পার। পরস্পরের মুখ চাওয়াচাওয়ি করছেন ক্যামেরাম্যান-উপস্থিত জনতা। তবে কি…! হ্যাঁ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর চোখে জল। ক্যামেরা সে দৃশ্য ধরা পড়েছে স্পষ্ট। ছোটবেলার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কেঁদে ফেললেন দেশের প্রধানমন্ত্রী।
মোদী বলেন, ‘আমরা যখন ছোট ছিলাম, আমার মা প্রতিবেশীর বাড়িতে বাসন মাজতেন। তাঁকে বাসন মাজতে হত। জল ভরতে হত। এমনকী, শ্রমিকের কাজও করতে হয়েছে। আমার মা তাঁর আস্ত জীবনটাই আমাদের জন্য পরিশ্রম করে গিয়েছেন।’
‘মোদী আরও বলেন, এটা শুধু একজন নরেন্দ্র মোদীর কথা নয়। আমার দেশ, ভারতে এরকম শয়ে শয়ে হাজার হাজার মা রয়েছেন, যারা তাদের জীবন সন্তানদের জন্য প্রাণপাত করে চলেছেন।’
জুকারবার্গ বিচক্ষণ ব্যক্তি। এরপর আর বেশিক্ষণ কথা বলা চলে না। থেমে গেল কথাবার্তা। মোদী মঞ্চ থেকে নেমে দেখা করলেন জুকারবার্গের অভিভাবকের সঙ্গে। তাঁরাও এসেছিলেন এদিনের অনুষ্ঠানে। তাদের সঙ্গে দেখা করে ছবি তোলার অনুরোধও রাখেন প্রধানমন্ত্রী।
তবে যাওয়ার আগে বিলক্ষণ কথাটি বলে যান- ‘মার্ক, তোমার বাবা-মাও রত্নগর্ভা। যারা তোমার মত সন্তান পেয়েছেন যে গোটা বিশ্বের মানুষকে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার মত মহৎ কাজ শুরু করেছে।’