Visitor Countor

Thursday, 25 December 2014

odesk aplication conformation


কিভাবে বুঝবেন ওডেস্কে আপনার বিড অটোহিডেন হয়ে যাচ্ছে?
------------------------------------------------------------------
আপনার প্রোফাইল ভালো ফিডব্যাক আর এক্টিভ থাকার পরও যদি 2 - 3 মাস বিড করার পর বায়ারদের কাছ থেকে কোন রেসপনস না পান তাহলে ধরে নিতে পারেন আপনার বিড অটোহিডেন হয়ে যাচ্ছে । অনেকেই এই ব্যপারটি ধরতে পারে না । মাঝে মাঝে অনেককে বলতে শুনি “ওডেস্ক এ এখন কাজ পাওয়া খুভই কঠিন”। আপনার বিড যদি হিডেন থাকে তাহলে হাজারটা বিড করেও কোন কাজ পাবেন না। শুধু শুধু নিজের যোগ্যতাকে আর প্রোফাইলকে দোষারোপ করবেন। আমার মনে হয় ওডেস্ক হয়ত ইল্যানসএ ফ্রিল্যন্সারদেরকে নিয়ে যাওয়ার জন্য এই মারাত্মক সিস্টেমটি চালু করেছে। কারণ ইল্যানসে রয়েছে পেইড মেম্বারশিপ প্রোগ্রাম। আর আপনারা জানেনইত ওডেস্ক আর ইল্যান্স ভাই ভাই!!
যা হোক এখন মূল কথাই আসি ”কিভাবে বুঝবেন ওডেস্কে আপনার বিড অটোহিডেন হয়ে যাচ্ছে?” আসলে এই প্রশ্ণের কোন ভালো উত্তর আমি পাইনি তবে আমার ধারনা থেকে একটি টিপস বলতে পারি চেক করে দেখতে পারেন।
প্রথমে একটি জবে বিড করুন । 15 - 25 মিনিট পর সেই বিড করা জবের Applicants List এ গিয়ে দেখুন আপনার নামটি আছেকিনা (এটি পূর্বের কোন বিড করা জবেও চেক করে দেখতে পারেন) । যদি না থাকে তাহলে বুঝবেন আপনার বিড অটোহিডেন হয়ে যাচ্ছে ( এটির ঘটার আরোও অনেক কারণ থাকতে পারে তবে অটোহিডেন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাটা অনেক বেশি) । ক্লায়েন্ট কখনো আপনার বিড দেখতে পারবে না। এমনকি কোন ইনবাইটেশান আসলে ( বিড করা ছাড়া) আপনি একসেপ্ট করার পরও সেই মেসেজ বায়ার পর্যন্ত পৌছায় কিনা সন্দেহ।
চিন্তা করে দেখুন একটি ভালোমানের বিড করতে কতক্ষন সময় লাগে? কয়টি অজাইরা প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় যেমন ” জবটি ভালোবাবে সম্পন্ন কারার জন্য আপনার মতামত কি?... এই সম্পূর্ন সময়টা আপনার জলে চলে যাবে যদি আপনার বিড অটোহিডেন হয়ে যায় অথচ আপনি যানতেও পারবেনা । 2 - 3 মাস বিড করেও যখন কোন সফলতা পাবেন না তখন আপনি নিজে থেকেই যে কোন একটি টি কাজ করে ফেলবেন--- হয় ওডেস্ক কে বাই-বাই-টাটা বলে ইল্যান্স কিংবা অন্যকোথাও গিয়ে কাজ শুরু করবেন অথবা ফ্রিল্যান্সিং ছেড়ে দিয়ে লোকাল চাকরি খুজার দিকে মনোনিবেশ করবেন আর হতে পারে এফিলিয়েট কিংবা সিপিএ মার্কেটিং এর প্রতি ঝুকে পড়তে পারেন।
সুতরাং সবার উচিৎ অটোহিডেন সিস্টেম বন্ধ করার জন্য ওডেস্ককে রিকোয়েস্ট করা। এ সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করে তুলা।

share buy & cell

কোন শেয়ার কিনবেন ?
১। P/E দেখুন। এটা অবশ্যই ১৬ বা তার নিচে হওয়া উচিত। যত
কম তত ভাল
২। NAV দেখুন। এর সাথে বাজার মূল্যের একটা সামান্জস্ব
থাকা উচিত। যার NAV ৩০০ টাকা তার বাজার মূল্য ৭০০
টাকার নিচে হওয়া উচিত।
৩। EPS দেখুন। এটা যত বেশি হবে ততই ভাল।
৪। মোট শেয়েরের সংখ্যা দেখুন। আর দেখুন তার কতটুকু
পাবলিকের হাতে আছে। নিয়মিত গ্রহনযোগ্য মাত্রায়
লেনদেন হয় এমন শেয়ারই কেনা উচিত।
৫। authorized capital আর Paid-Up Capita এর রেশিয়ো
দেখুন। যদি ২ টা খুব কাছাকাছি হয় তবে ঐ কম্পানি কখনই
কোন বোনাস শেয়ার দিবে না।
৬। গত ৩-৪ বছরের ট্রেক রেকর্ড দেখুন। কী পরিমান বোনাস
দেয় তা দেখুন। বাৎসরিক গড় মূল্য দেখুন। চেষ্টা করুন এই
মূল্যার কাছাকাছি দামে শেয়ার কিনতে।
৭। লাস্ট ৫-৬ মাসের খবর দেখুন (ডিএসই’র সাইটে প্রকাশিত)
৮। ডিএস ই এখন ৪ মাস পর পর কম্পানির আর্নিং রিপোর্ট
দেয়। একটু মাথা খাটালেই বছর শেষে কি পরিমান লাভ
করবে তা জানা সম্ভব।
৯। আর কম্পানির গুড উইল ও এর পরিচালকদের সামাজিক
অবস্থান (রাজনৈতিক দইকটাও দেখবেন ) বিবেচনা করুন।
মনে রাখবেন বিক্রির সময় নয় বরং কেনার সময়ই আপনাকে
লাভ করতে হবে। ব্যাক্তিগত ভাবে ‘ডাউন মার্কেট’ ই হল
আমার প্রিয় বিনিয়োগের সময়
কি ভাবে কিনবেন ?
ধরুন আপনি শেয়াক ক এর ১০ টা লট কিনতে চান। সাধারনত
আমরা এক বারেই ১০ টা লট কিনেফেলি আর এতে
আমাদের লাভ বা লোকশানের ঝুকি অনেক অনেক বেরে যায়।
বরং এক বারে ১০ লট না কিনে ৩-৪ বারে কিনুন – এই
স্ট্রটেজিতে লাভের পরিমান কমে যাওয়ার (বুলিশ
মার্কেটে) চান্স থাকলেও লসের পরিমান একদমই নেই। একে
বলা হয় এভারেজিং টেকনিক।
বিক্রির ক্ষেত্রেও একই ফরমূলা সব একবারে বেচে না
দিয়ে ২-৩ বারে বেচুন (বুলিশ মার্কেটে)।
কতটুকু কিনবেন ?
এটা নির্ভর করে আপনার পোর্টফলিও এর ডিজাইন ও তার
বর্তমান অবস্থার উপর। সহজ কথায় এক কম্পানি ও এক
সেক্টরের শেয়ার না কিনে ২-৩ সেক্টরের শেয়ার কেনা
উচিত এবং প্রতি সেক্টরেরই ২-৪ টা কম্পানির শেয়ার
আপনার পোর্টফলিওতে থাকা উচিত