Visitor Countor

Monday, 7 December 2015

তেলাপিয়া খাচ্ছেন তো মৃত্যুর দিকে এগোচ্ছেন!

তেলাপিয়া খাচ্ছেন তো মৃত্যুর দিকে এগোচ্ছেন!

fishশেয়ারবাজার ডেস্ক: কাঁচামরিচ-সর্ষে দিয়ে তেলাপিয়ার ঝাল, পেঁয়াজ-মরিচকুচি দিয়ে ভুনা কিংবা স্রেফ ঝোল। মাসে অন্তত কয়েকবার পাতে পড়ে না, এমন বাঙালি মেলা ভার। দামও তুলনামূলকভাবে কম। ডাক্তাররা বলেন, শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিডের চাহিদা মেটাতে ছোট মাছের বিকল্প নেই। কিন্তু তেলাপিয়া মাছ থেকে সাবধান। কারণ, তেলাপিয়ায় ব্যাপক স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে।
তেলাপিয়া রান্না করা সহজ, কাঁটা বেশি থাকে না, খেতে সুস্বাদু হলেও পারলে এখনই খাওয়া বন্ধ করুন। না-হলে অ্যাজমা, করোনারি ডিজিজ, হাড় ক্ষয়ের মতো নানা রোগ, এমনকি ক্যান্সারের মতো মারণ রোগও অচিরেই বাসা বাঁধতে পারে শরীরে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, তেলাপিয়ায় ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ অন্যসব মাছের তুলনায় কম। ফলে মাছ হিসেবে তেলাপিয়া খাওয়া হলেও তা অন্য মাছের মতো উপকারি নয়। পাশাপাশি এর ক্ষতিকর দিকগুলোও বিদ্যমান। এ ছাড়া তেলাপিয়া মাছে রয়েছে উচ্চমাত্রায় অ্যারাচিডোনিক এসিড।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েক ফরেস্ট ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের প্রফেসর ড. ফ্লয়েড চিলটন বলেছেন, ‘আপনার চিকিৎসক বা কার্ডিওলজিস্ট যদি বেশি করে মাছ খেতে বলে তাহলে আপনার উচ্চমাত্রায় ওমেগা-৩ রয়েছে এমন মাছ খেতে হবে। এখানে উচ্চমাত্রায় উদ্দীপনাময় বিকল্প বাদ দিতে হবে।’
তেলাপিয়ার মতো চাষের মাছগুলোতে ফ্যাটি এসিড ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬-এর ক্ষতিকর উপস্থিতি থাকে। এ থেকে মানবশরীরে প্রদাহ তৈরি হতে পারে।
প্রাকৃতিক জলাশয়ের মাছের চেয়ে চাষ করা মাছে ১০ গুণ বেশি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী দূষিত পদার্থ থাকে। মূলত চাষ করা মাছের খাবারে এসব পদার্থ থাকে। চাষ করা তেলাপিয়ায় এসব উপাদান থাকতে পারে। তাই এগুলো খাওয়া ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় পাওয়া যায়, চাষ করা তেলাপিয়ায় শরীরে প্রদাহ তৈরি হতে পারে। এসব প্রদাহের ফলে হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন রোগ, আর্থাইটিস, অ্যাজমা হতে পারে। গবেষণায় এ-ও দেখা গেছে, হ্যামবার্গার খেয়ে শরীরে যে প্রদাহ তৈরি হয়, তার চেয়ে বেশি হতে পারে তেলাপিয়া খেলে।
চাষ করা তেলাপিয়ায় বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ডায়োক্সিন থাকতে পারে। এ ডায়োক্সিন মানবশরীরে দীর্ঘদিন পর্যন্ত চক্রাকারে ক্রিয়া করতে পারে। এতে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
একটি জলাশয়ে তেলাপিয়ার মতো মাছগুলো বিপুল পরিমাণে মাছ চাষ করা হয়। এসব মাছ রোগপ্রবণ। তাই এগুলোকে জিইয়ে রাখতে অ্যান্টিবায়োটিক ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। এ জাতীয় মাছ খেলে এ ক্ষতিকর উপাদানগুলো মানবদেহে প্রবেশ করতে পারে। এ থেকে হতে পারে প্রাণঘাতী রোগ।
আমাদের দেশে তেলাপিয়া চাষ করার সময় চাষিরা সরাসরি মুরগির বিষ্ঠা কিংবা অন্য কোনো প্রাণীর বিষ্ঠা খেতে দেন। অনেক মাছের খামারে তেলাপিয়া মাছ এ খাবার খেয়েই বড় হয়। এমনকি কোনো কোনো মুরগির খামার সরাসরি পুকুরের ওপরই তৈরি হয় যেন মুরগির বিষ্ঠা সরাসরি তেলাপিয়া মাছ খেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরাসরি প্রাণীর বিষ্ঠা তেলাপিয়া মাছকে খাওয়ানো হলে তাতে উপস্থিত বিষাক্ত পদার্থ মানুষের দেহে প্রবেশ করার আশঙ্কা থাকে।
বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি গবেষণায় তেলাপিয়া সম্পর্কে মারাত্মক তথ্য উদ্ঘাটন করেছেন। দেখা গিয়েছে, তেলাপিয়া মাছের থাকা উপাদান শরীরকে ধীরে ধীরে শেষ করে। এক কথায়, স্লো পয়জন। অর্থাৎ তেলাপিয়া খাচ্ছেন তো মৃত্যুর দিকে এগোচ্ছেন! এবার আপনিই সিদ্ধান্ত নিন।

Monday, 5 October 2015

Banana frut is god for health


bananaশেয়ারবাজার ডেস্ক: অতি পরিচিত সস্তা একটি ফল হল কলা। সারা বছর পাওয়া যায় এই ফলটি। কিন্তু এই ফলটি খেতে আমরা অনেকেই পছন্দ করি না। আবার অনেকে মনে করেন কলা শরীরকে মোটা করে তোলে। অথচ নিয়মিত কলা খেলে হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। কলা দৈনন্দিন অনেক পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে দেহকে সুস্থ রাখে। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন একটি কলা, আর দেখুন এর ম্যাজিক।
১। কলা একটি আঁশযুক্ত ফল। এটি হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে থাকে।  হজমের সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন একটি করে কলা খান।
২। শরীরে হিমোগ্লোবিন ও ইনসুলিনের জন্য প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-বি৬ প্রয়োজন। আর কলাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-বি৬ আছে, যা দেহে পুষ্টি যোগিয়ে থাকে।
৩। প্রতিদিন ৩টি করে কলা খেলে আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করবে। যাঁরা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন, তাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কলা রাখুন, দেখবেন রক্তচাপ আপনার নিয়ন্ত্রনে চলে এসেছে।
৪। প্রতিদিন ব্যায়াম করার আগে ২ টি কলা খেয়ে নিন। এটি আপনার দেহের রক্তে শর্করার পরিমান ঠিক রাখবে এবং তার সাথে ব্লাড সুগারও নিয়ন্ত্রন করবে।
৫। কলাতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে। ফলে নিয়মিত কলা গেলে দেহের রক্ত শূন্যতা দূর হয়ে যায়।
৬। কলা ওজন কমাতেও সাহায্য করে থাকে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, কলা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরার অনুভূতি দিয়ে থাকে। ফলে অন্য কোন খাবার খাওয়ার রুচি ও আগ্রহ থাকে না। যা ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে।
৭। এক গবেষণায় বলা হয়েছে আঁশযুক্ত খাবার কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমিয়ে থাকে। প্রতিদিন কলা খান আর হৃদ রোগ থেকে দূরে থাকুন।
৮। শরীরের পেশির সুস্থতার জন্যও কলা বেশ উপকারী। ব্যায়ামের আগে কিংবা পরে কলা খান এটি আপনার পেশীর সমস্যা দূর করবে এবং পায়ের মজবুত পেশী গঠনে সাহায্য করে।
৯। আমরা অনেকই মনে করে থাকি লেবু, আর কমলাতেই শুধু ভিটামিন সি আছে। কিন্তু মজার ঘটনা কলাতেও পাওয়া যায় কিছু পরিমাণে ভিটামিন সি। এছাড়া প্রয়োজনীয় অনেক পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায় কলা থেকে।
১০। কলাতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগসিয়াম আছে যা বিষণ্ণতা দূর করতে সাহায্য করে। আমরা অনেক সময় বিভিন্ন করাণে বিষণ্ণতায় ভুগে থাকি। এই বিষণ্ণতা দূর করতে কলা অনেক বেশি কার্যকরী।
১১। কলা দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে। কলাতে প্রচুর পরিমাণের ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন, মিনারেল আছে যা দেহের এনার্জি লেভেল ঠিক রেখে শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে। প্রতিদিন নাস্তায় ১টি কলা রাখুন এটি আপনাকে সারা দিনে কাজে এনার্জি দিবে।
১২। কলাতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম আছে যা মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবারহ করে থাকে। এটি দেহের পানির পরিমাণ ঠিক রাখতে সাহায্য করে থাকে।

Wednesday, 30 September 2015

What is Life !


যে জন্য কাঁদলেন মোদি! (ভিডিও)


modiশেয়ারবাজার ডেস্ক: প্রসঙ্গটা তুলেছিলেন ফেসবুক কর্তা মার্ক জুকারবার্গই। মেনলো পার্কে উপস্থিত দর্শকদের সঙ্গে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কথোপকথনের সময় জুকারবার্গ বলেন, “আপনিও তো আপনার পরিবারকে ভালবাসেন। শুনেছি আপনার মা-ই আপনার আদর্শ।”
এর আগেও বহু প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন মোদী। এবং তা দিচ্ছিলেন বেশ স্বাভাবিকভাবেই। সেইমত এই প্রসঙ্গেও কথা বলা শুরু করেন। প্রথমেই তিনি দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “আমার দেশ ভারত বলেই একজন চা বিক্রেতাকে দেশবাসী তাদের নেতা বানিয়েছেন। আমি স্টেশনে চা বেচতাম।”
এরপরেই বলতে শুরু করেন মায়ের প্রসঙ্গে। বলেন, ‘আমার মা অন্যের বাড়িতে বাসন মাজতেন আমাদের পড়াশোনা করানোর জন্য। খুব গরিব পরিবারে আমি বড় হয়েছি।’ বলতে বলতে হঠাৎ থেমে যান মোদী। চারপাশে শয়ে শয়ে ক্যামেরার লেন্স তাঁর দিকে। সে কথা বিলক্ষণ জানেন মোদী। কিন্তু আবেগকে বাঁধ মানাতে পারলেন না দেশের তাবড় নেতাও। মায়ের কথা বলতে বলতে গলা ধরে এল।
কিছুক্ষণ বলার চেষ্টা করলেন, আমার বাবা আর নেই। মা’রও বয়স হয়েছে প্রায় ৯০। তিনি নিজেই নিজের সব কাজ করেন।” ব্যাস! আর গলা দিয়ে শব্দ বেরোচ্ছে না। কয়েক সেকেন্ড পার। পরস্পরের মুখ চাওয়াচাওয়ি করছেন ক্যামেরাম্যান-উপস্থিত জনতা। তবে কি…! হ্যাঁ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর চোখে জল। ক্যামেরা সে দৃশ্য ধরা পড়েছে স্পষ্ট। ছোটবেলার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কেঁদে ফেললেন দেশের প্রধানমন্ত্রী।
মোদী বলেন, ‘আমরা যখন ছোট ছিলাম, আমার মা প্রতিবেশীর বাড়িতে বাসন মাজতেন। তাঁকে বাসন মাজতে হত। জল ভরতে হত। এমনকী, শ্রমিকের কাজও করতে হয়েছে। আমার মা তাঁর আস্ত জীবনটাই আমাদের জন্য পরিশ্রম করে গিয়েছেন।’
‘মোদী আরও বলেন, এটা শুধু একজন নরেন্দ্র মোদীর কথা নয়। আমার দেশ, ভারতে এরকম শয়ে শয়ে হাজার হাজার মা রয়েছেন, যারা তাদের জীবন সন্তানদের জন্য প্রাণপাত করে চলেছেন।’
জুকারবার্গ বিচক্ষণ ব্যক্তি। এরপর আর বেশিক্ষণ কথা বলা চলে না। থেমে গেল কথাবার্তা। মোদী মঞ্চ থেকে নেমে দেখা করলেন জুকারবার্গের অভিভাবকের সঙ্গে। তাঁরাও এসেছিলেন এদিনের অনুষ্ঠানে। তাদের সঙ্গে দেখা করে ছবি তোলার অনুরোধও রাখেন প্রধানমন্ত্রী।
তবে যাওয়ার আগে বিলক্ষণ কথাটি বলে যান- ‘মার্ক, তোমার বাবা-মাও রত্নগর্ভা। যারা তোমার মত সন্তান পেয়েছেন যে গোটা বিশ্বের মানুষকে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার মত মহৎ কাজ শুরু করেছে।’

Thursday, 17 September 2015

Mobile Call Fuck ID Show

ফোন করার সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইল নম্বর ফোন রিসিভকারী ব্যক্তি পেয়ে যান। এ ক্ষেত্রে মেয়েরা অনেক সময় সমস্যায় পড়ে যান। অপরিচিত ব্যক্তিরা শুধু শুধু ডিস্ট্রাব করতে থাকে। তাই এখনই জেনে নিন, কিভাবে মোবাইল নম্বর গোপন রেখে কল করা যায় তার নিয়মাবলী।
মূলত এ সমস্য থেকে আপনি নিশ্চিত মুক্তি পেতে পারেন কিছু কার্যকরি অ্যাপস ব্যবহার করে। নানা ধরনের অ্যাপ অবশ্য আগে থেকেই রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করা যায় কিন্ত তারজন্য আবার একটি ভুয়া নম্বর ব্যবহার করতে হয়। এজন্য অবশ্য বেশ ঝামেলায় পড়তে হয়। এসব অ্যাপের সাহায্যে কাওকে ফোন করার সময় বদলে ফেলা যায় নিজের মোবাইল নম্বর। এক্ষেত্রে অ্যাপটি ব্যবহারকারীর আসল নম্বর লুকিয়ে রাখে এবং ব্যবহারকারীর দেওয়া অন্য একটি ভুয়া নম্বর প্রদর্শন করে থাকে।
অনেকেই পরিচয় বদলের এই জাতীয় অ্যাপ হিসেবে ব্যবহার করছেন যেমন Voxox, Lifehacker, Spoofcard, Tracebust, CallerIDFaker ইত্যাদি। এসব অ্যাপের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছে Tracebust অ্যাপটি।
প্রাথমিকভাবে এর ট্রায়াল ভারসন ব্যবহার করা যাবে, কিন্তু পরবর্তীতে ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে মূল্য পরিশোধ করতে হবে। প্রযুক্তি বিশ্বের এইসব সুযোগগুলো ব্যবহারের সুযোগ নিচ্ছে অনেকেই। তবে পাওয়ানাদারের কাছ থেকে পাওয়া উদ্ধারে এমন অ্যাপ আপনি ব্যবহার করতেই পারেন।

Friday, 14 August 2015

call Locator

» লাইফ স্টাইল »

ফোনে কল দিয়ে কেউ বেশি উত্যক্ত করছে? তার নাম-ঠিকানা বের করে ফেলুন খুব সহজেই!

108মোবাইলে অচেনা নম্বর থেকে ক্রমাগত কল বা মিসকল আসার মত বিরক্তিকর ব্যাপার কিছুই হতে পারে না। বিশেষত মেয়েদের জন্যে এই ভোগান্তি তো একেবারেই অলিখিত। বকাঝকা, ফোন সাইলেন্ট করে রাখা কোন কিছুতেই যেন কাজ হয় না। কিন্তু ভাবুন তো, অচেনা এই লোকটির নাম ঠিকানা যদি এক মিনিটেই আপনার হাতের মুঠোয় চলে আসে, আর আপনি উলটো তার নাম ধরে ডেকে বেশ ভালো রকম একটা হুমকী দিতে পারেন, কিংবা সহজেই পুলিশের কাছে তার নাম ঠিকানা দিয়ে দিতে পারেন, তাহলে কি ভালোটাই না হতো! না স্বপ্ন নয় একেবারেই, প্রযুক্তির উৎকর্ষে এই ছোট্ট কাজটি আপনি করতে পারেন স্রেফ ঘরে বসেই। আপনার স্মার্টফোনে গুগল প্লে স্টোর থেকে কয়েক সেকেন্ডেই নামিয়ে নিতে পারেন, এইসব অচেনা নাম্বার থেকে ফোনদাতার নাম ঠিকানা, সবই!
True caller:
এই ছোট্ট অ্যাপস টি পাবেন গুগল প্লে স্টোরে। এটি আপনার ফোনে ইন্সটল করে নিন। তারপর কোন অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলেই, স্রেফ জাদুর মত আপনার ফোনে ভেসে উঠবে কলদাতার নাম। তবে হ্যাঁ, শর্ত প্রযোজ্য। সেই নম্বরটি যদি তার নামে রেজিস্ট্রেশন করা থাকে, তবেই আপনি এই সুবিধাটা পাবেন। আর সেই লোক যদি ফেসবুকে এই নম্বরটি ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে তো দেখতে পাবেন তার ছবি সহই! দেখে নিন তো, পরিচিত কেউই আপনার সাথে এই বিরক্তিকর আচরণটি করছে কিনা! বাড়তি পাওনা হিসেবে বিনেপয়সায় আপনি এই কলদাতাকে ব্লক করে রাখতে পারবেন।
Facebook:
বার বার ফোন করতেই থাকা বিরক্তিকর নম্বরটিকে কিন্তু আপনি ট্র্যাক করতে পারেন ফেসবুকের মাধ্যমেও। ফেসবুকের সার্চ অপশনে গিয়ে ফোন নম্বরটি টাইপ করুন। সে ব্যক্তি যদি এই ফোন নম্বরটি তার একাউন্টে ব্যবহার করে (করার সম্ভাবনা খুব বেশী), তাহলে তাকে সহজেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব।
LINE whoscall:
অনেকটা ট্রুকলারের মতই এটিও অচেনা ফোনদাতার রেজিস্টার্ড নাম ও অন্যান্য তথ্য ও তার মোবাইলে লোকেশন অন থাকলে তার ঠিকানা অব্দি দেখিয়ে দেবে আপনাকে।
Mobile Number Locator:
অচেনা নম্বর থেকে ফোনদাতার রেজিস্টার্ড নাম জানবে এই অ্যাপটি। অ্যাপটির অন্যতম সুবিধা হচ্ছে, এটি ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই কাজ করে। ইনকামিং ও আউটগোয়িং কল চলাকালীনই কলারের ও প্রাপকের বিস্তারিত জানিয়ে দেয় এই অ্যাপ। গুগল ম্যাপের সাহায্যে এই অ্যাপ কলারের লোকেশনও দেখিয়ে দেবে।
আমি নিজে ট্রু কলার ব্যবহার করি। তবে, আপনি আপনার সুবিধামত যে কোনটি বেছে নিতে পারেন। আর দেরী কেন, মুখোশ খুলে নিন বিরক্তিকর ফোন বা মিসকলদাতার। ভালো থাকুন!
সূত্রঃ প্রিয় লাইফ
- See more at: http://www.papers24.net/news/life-style/2296#sthash.p3V2cbK7.dpuf

Monday, 6 July 2015

Micro work Yahoo answer

Microwerkers Tutorial (Yahoo answer2)   আমি দেখিয়েছিলাম কিভাবে Yahoo Answer Level 1 ID-কে Yahoo Answer Level 2 ID-তে পরিনত করবেন। এই Part- আমি দেখাবো কিভাবে Microworkers- Yahoo Answer Job করতে হয়Microworkers- সাধারনত দুধরনের Yahoo Answer Job পাওয়া যায়:
1.
1. 1. 1. 1. সাধারন Yahoo Answer Job (Ex. Yahoo Answer + Link to keywords)
2. Cheetuh Yahoo Answer Job (Ex. Yahoo Answer + Link to #RfTr57Y)
2. Cheetuh Yahoo Answer Job (Ex. Yahoo Answer + Link to #RfTr57Y) 2. Cheetuh Yahoo Answer Job (Ex. Yahoo Answer + Link to #RfTr57Y) 2. Cheetuh Yahoo Answer Job (Ex. Yahoo Answer + Link to #RfTr57Y) 2. Cheetuh Yahoo Answer Job (Ex. Yahoo Answer + Link to #RfTr57Y)দুধরনের Yahoo Answer Job-এই আপনাকে একটি Keyword আর একটি URL দেয়া হবে, সেই Keyword-এর সাথে মিল রেখে আপনাকে একটি Question খুজে বের করতে হবে এবং সেই Question-এর Answer করে “What’s your source?” Box- তাদের দেয়া URL-টি বসিয়ে Submit দিতে হবেসাধারন Yahoo Answer Job- “What was expected?”-এর মধ্যেই একটি Keyword আর একটি URL দেয়া থাকে নতুবা তারা একটি URL- যেতে বলবে যেখানে গেলেই আপনি Keyword এবং URL পেয়ে যাবেন। আর Cheetuh Yahoo Answer Job- “What was expected?”-এর মধ্যে এক নম্বর Go to দিয়ে একটি Website- যেতে বলবে, যেখানে গেলেই আপনি Keyword এবং URL পেয়ে যাবেন। চলুন দেখি কিভাবে করা যায়
. Yahoo Answer Job করার জন্য র্সবপ্রথম আপনার Yahoo Answer ID (অর্বশ্যই Level 2 ID) দিয়ে http://answers.yahoo.com Log in করুন। “What are you looking for?” Box- Keyword-টি লিখে Search Y! Answers- click করুন. ধরে নিন তাদের দেয়া Keyword = iPhone software এবং URL = http://www.apple.com. একটি কথা আগেই বলে রাখি, যদি কোন Question-এর Best Answer সিলেক্ট করা হয়ে থাকে তাহলে আপনি সেই Question-এর Answer করতে পারবেন না। তাই আপনাকে এমন একটি Question খুজে বের করতে হবে যার Best Answer সিলেক্ট করা হযনি। ধরনের Question খুজে বের করতে Keyword-টি লিখে Search দেবার পর “Date Submitted”- 24hrs, 3 days অথবা 7 days সিলেক্ট করে Apply দিন. এখন Search রেজাল্ট থেকে যেকোন একটি Question র্নিবাচন করে Answer Question- ক্লিক করুন. “Your Answer” Box- একটি যুক্তি সংগত Answer লিখুন (Top secret: Cheetuh Yahoo Answer Job- যুক্তি সংগত Answer না দিলেও কোন সমস্য নাই কিন্তু Yahoo আংকেল বুঝতে পারলে আপনাকে সহ Black list- রেখে দিবে) “What’s your source?” Box- তাদের দেয়া URL = http://www.apple.com-টি বসিয়ে Submit দিন. সাধারন Yahoo Answer Job- Required proof হিসেবে আপনার কাছে চাওয়া হবে আপনি যে Question-টির Answer করেছেন তার URL এবং আপনার Yahoo Answer Screen Name.
. আর Cheetuh Yahoo Answer Job- আপনার কাছে Requider proof হিসেবে চাওয়া হবে 7 Character Code. “What was expected?”-এর মধ্যে এক নম্বর Go to দিয়ে যে Website- গিয়ে আপনি Keyword এবং URL পাবেন তার ঠিক নিচে Yahoo Answer URL বসানোর জন্য একটি Box দেখতে পাবেন সেখানে আপনি যে Question-টির Answer করেছেন তার URL দিয়ে Submit দিলেই আপনাকে 7 Character Code দিয়ে দিবে. কিন্তু যদি আপনি “What’s your source?” Box- তাদের দেয়া URL-টি ঠিক মত না বসান তাহলে 7 Character Code দিবে না। আপনি যে Browser ব্যবহার করে Answer করবেন সেটা ব্যতিত অন্য কোন Browser- আপনি যে Question-টির Answer করেছেন তার URL বসিয়ে দেখতে পারেন যে আসলেই আপনার দেয়া Answer-টি সেখানে দেখাচ্ছে কি না। অনেক সময় আপনি ঠিকমত Answer দিলেও আপনার Answer-টি সেখানে দেখাবে না, কারন Yahoo Answer কিছু Website-কে তাদের black list- রাখে আর সেই Website-এর URL যদি কেউ “What’s your source?” Box- দেয় তাহলে তার Answer-টি Automatic ডিলেট হয়ে যায়, সে সকল Job-কে Ignore করাই ভাল

আশা করি Yahoo Answer Job করতে আপনাদের আর কোন সমস্য হবে না

MD :Mehedee Hasan Sujon

Sunday, 21 June 2015

pofile odesk

আসুন প্রফাইল কিভাবে সাজাবেন দেখি।
ক) টাইটেলঃ টাইটেলে আপনি শুধু মাত্র যেই কাজ গুলো পারেন সেই গুলো উল্লেখ করবেন। যে গুলো খুব ভালো পারেন সেই গুলা আগে লিখবেন। যেমন আমার প্রফাইল এ আমি দিয়েছি, যদিও তেমন ভালো হয় নাই। তবুও নতুনদের জন্য উপকার হবে আশা করি। 
খ) পোর্ট্রেইটঃ প্রফাইল ফটো এর ব্যপারে তেমন বড় কিছু নাই। তবুও আমি বলবো এমন একটা ফটো দিবেন যেটা হালকা হলেও প্রফেশনাল মনে হয়। ওনেকে দেখি নায়ক মার্কা ছবি দেয়, কালো চশমা পরে ছবি দেয় আমার নিজের কাছে খারাপ লাগে বায়ারদের কাছে কেমন লাগবে আমি জানিনা।
গ) ঘন্টা প্রতি রেটঃ নতুনদের বলবো একটু কম রেটে বিড করার জন্য, তবে এমন কম নয় যা মার্কেট নষ্ট হয়। আমি মনে করি ওয়েব ডেভেল্পমেন্টে যারা কাজ করেন সর্ব নিম্ন ৫ ডলার করবেন, তাও প্রথম ফিড ব্যাক পর্যন্ত। এর পর বাড়াতে থাকবেন। এস ই ও, এস এম এম যারা করেন তাদের জন্য আমি ভালো জানি না।
ঘ) প্রফাইল অবশ্যই ১০০% করে ফেলবেন। দয়া করে ১০০% করতে কারো সাহায্য নিবেন না। নিজে নিজে করবেন তাতে যদি ১ সপ্তাহ ও লাগে তাও করবেন। ওনেকে বিভিন্ন টিপস নিয়ে কারো সাহায্য নিয়ে ১০০% করে থাকেন। পরবর্তীতে আপনাদের ওই বিষয় গুলো অজানা থেকে যায়। আবার সেইটার জন্য আবার কারো কাছে সাহায্য চাইতে হয়।
ঙ) ওভার ভিউঃ ওভারভিউ সুন্দর করে লিখবেন। দরকার হলে ভালো ভালো কিছু প্রফাইল দেখেন, অভজ্ঞতা অর্জন করেন। আমি এখনো মাঝে মাঝে প্রফাইল দেখি, শুধু বাংলাদেশী নয় ভালো রেটে যারা কাজ করে সবার প্রফাইল দেখেন। দেখে তারা কিভাবে লিখেছে সেইভাবে গুছিয়ে লিখুন।
চ) স্কিল এ যোগ করুন যা যা পারেন সব, টাইটেলের মত যা আগে পারেন সেইটা আগে দেন। ২৫% ও পারেন না এমন কিছু দিবেন না।
ছ) ইমপ্লয়মেন্ট হিস্টোরি তে যেখানে যেখানে জব করেছেন সব উল্ল্যেখ করুন। যদি না করে থাকেন তবে বড় ভাই ব্রাদার এর কোন ফার্ম থাকলে সেই টাইটেল ব্যবহার করুন।
জ) এডুকেশন এ আপনার এডুকেশন যোগ করুন।
ঝ) পোর্টফলিও যোগ করুন। যত গুলো কাজ করেছেন সব উল্ল্যেখ করুন। ভালো ভালো প্রফাইলে কিভাবে প্রটফোলিও দিয়েছে দেখুন। সেই ভাবে করুন। যেমনঃ টাইটেলে ভালো একটা টাইটেল দিন, প্রজেক্ট সম্পর্কিত, ক্যাটাগরি দিবেন অবশ্যই সঠিক, প্রজেক্ট যদি লাইভ থাকে তাহলে প্রজেক্ট ইউ আর এল দিবেন, ডেট দিবেন এবং সুন্দর ডেস্ক্রিপশন লিখবেন। আপনি যে যে কাজ করেছেন টোটাল উল্ল্যেখ করবেন।
ঞ) সার্টিফিকেট আর এক্সপ্রিএঞ্চ যোগ করবেন।
ণ) টেস্টঃ টেষ্ট দিবেন যত পারেন। আপনি যেই সংক্রান্ত কাজ করবেন সেই সম্পর্কিত সব টেষ্ট দিবেন। দয়া করে কেউ ফেইল্ড হইলে সেই টেষ্ট প্রফাইলে শো করাবেন না।

Sunday, 17 May 2015

Share news 17/5/15

৪৫ কোম্পানির প্রান্তিক প্রতিবেদন: মুনাফা বেড়েছে ২০টির, কমছে ২৫টির

Arthik Protibadon Reportশেয়ারবজার রিপোর্ট: প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ ১৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত  ৪৫ কোম্পানি। প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০ কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে এবং কমেছে ২৫ টির। রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
একটিভ ফাইন:
প্রথম প্রান্তিকে একটিভ ফাইনের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ১০ কোটি ১১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ৭ কোটি ৬৯ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.৭৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে ২ কোটি ৪২ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তাবিত ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস হবে ০.৮২ টাকা (restated)। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৬৩ টাকা।
নর্দার্ণ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স:—
প্রথম প্রান্তিকে নর্দার্ণ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ১৭ লাখ ২০ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ১.৩৩ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৫ কোটি ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ১.৬০ টাকা। অর্থাৎ প্রান্তিক প্রতিবেদনে এ কোম্পানির মুনাফা কমেছে ৮৮ লাখ টাকা। এছাড়া ইপিএস কমেছে ০.২৭ টাকা।
এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তাবিত ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস হবে (restated) ১.২০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ১.৪৬ টাকা।
মুন্নু জুট স্ট্যাফলার্স:—
প্রথম প্রান্তিকে মুন্নু জুট স্ট্যাফলার্সের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.২৭ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা ও ০.২৮ টাকা। অর্থাৎ প্রান্তিক প্রতিবেদনে এ কোম্পানির মুনাফা কমেছে ৭ হাজার টাকা। এছাড়া ইপিএস কমেছে ০.০১ টাকা।
ইনটেক:—
প্রথম প্রান্তিকে ইনটেকের লোকসান হয়েছে ৩৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.১৮ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৪১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ০.২০ টাকা। অর্থাৎ প্রান্তিক প্রতিবেদনে এ লোকসান কমেছে ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এছাড়া ইপিএসে লোকসান কমেছে ০.০২ টাকা।
এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থ বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তাবিত ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ারের হিসেবে এই কোম্পানির ইপিএস হবে ০.১৭ টাকা(restated)। যা আগের বছরে ছিল ০.১৮টাকা।
বিডি থাই:
প্রথম প্রান্তিকে বাংলাদেশ থাই অ্যালুমিনিয়ামের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৬৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.৭৭ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৯৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ০.২১ টাকা। অর্থাৎ প্রান্তিক প্রতিবেদনে এ কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে ২ কোটি ৬৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এছাড়া ইপিএস বেড়েছে ০.৫৬ টাকা।
এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তাবিত ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস হবে ০.৭০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.১৯ টাকা।
ইনফরমেশন সার্ভিস:—
প্রথম প্রান্তিকে ইনফরমেশন সার্ভিসের মুনাফা হয়েছে ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.০৪ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ০.০৫ টাকা। অর্থাৎ প্রান্তিক প্রতিবেদনে এ মুনাফা কমেছে ৪০ হাজার টাকা। এছাড়া মুনাফা কমেছে ০.০১ টাকা। অন্যদিকে, ৩১ মার্চ ২০১৫ পর্যন্ত কোম্পানিটির পুঞ্জিভূত লোকসান দাড়িয়েছে ১৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
প্রিমিয়ার ব্যাংক:
প্রথম প্রান্তিকে এ কোম্পানিটির কর পরিশোধের পর সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ২৩ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ২০ কোটি ৬৫ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.৩৭ টাকা (restated)। সে হিসেবে কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে ২ কোটি ৮৯ লাখ ১০ হাজার টাকা।
এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তাবিত ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার হিসেবে এ কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস হবে ০.৩৮ টাকা (restated)। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৩৩ টাকা।
গোল্ডেন সন:—
প্রথম প্রান্তিকে গোল্ডেন সনের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৫২ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৩০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ১৫ কোটি ৫৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ১.০২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির মুনাফা কমেছে ১১ কোটি ৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
আরগন ডেনিমস:—
প্রথম প্রান্তিকে আরগন ডেনিমসের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৩২ লাখ ১০ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.৬৪ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৮ কোটি ৩২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ১.০১ টাকা (restated)। অর্থাৎ প্রান্তিক প্রতিবেদনে এ কোম্পানির মুনাফা কমেছে ৩ কোটি ৪০ হাজার টাকা। এছাড়া ইপিএস কমেছে ০.৩৭ টাকা।
এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তাবিত ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস হবে (restated) ০.৫৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৮৪ টাকা।
এমজেএল বিডি:—
প্রথম প্রান্তিকে এমজেএল বিডির কর পরিশোধের পর সমন্বিত মুনাফা (excluding non controlling interest) হয়েছে ১৯ কোটি ৫৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ২৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল ১.১৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির মুনাফা কমেছে ৮ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার হিসেবে এ কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস হবে ০.৭১ টাকা (restated)। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ১.০২ টাকা।
কে অ্যান্ড কিউ:
প্রথম প্রান্তিকে কে অ্যান্ড কিউয়ের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.০৭ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে কর পরিশোধের পর লোকসান ছিল ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ০.২৩ টাকা। অর্থাৎ প্রান্তিক প্রতিবেদনে এ কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে ১৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এছাড়া ইপিএস বেড়েছে ০.৩০ টাকা। আলোচিত সময়ে কোম্পারিটির পুঞ্জিভুত লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ১১ লাখ ২০ হাজার টাকা।
অগ্রনী ইন্স্যুরেন্স:
প্রথম প্রান্তিকে অগ্রনী ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ১৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.৪৫ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ২ লাখ টাকা ও ০.৪০ টাকা। অর্থাৎ প্রান্তিক প্রতিবেদনে এ মুনাফা বেড়েছে ১৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি মুনাফা বেড়েছে ০.০৫ টাকা।
ঢাকা ইন্স্যুরেন্স:
প্রথম প্রান্তিকে এ কোম্পানিটির কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৭৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪৭ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ১ কোটি ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.৪৬ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা।
এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তাবিত ৭ শতাংশ বোনাস শেয়ার হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস হবে ০.৪৪ টাকা (restated)। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৪৩ টাকা।
ওরিয়ন ফার্মা:—
প্রথম প্রান্তিকে ওরিয়ন ফার্মার কর পরিশোধের পর সমন্বিত মুনাফা হয়েছে (excluding non controlling interest) ৩৩ কোটি ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ১.৪১ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে কর পরিশোধের পর মুনাফা ছিল ৩৮ কোটি ৮ লাখ টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় ছিল ১.৬৩ টাকা। অর্থাৎ প্রান্তিক প্রতিবেদনে এ কোম্পানির মুনাফা কমেছে ৫ কোটি ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এছাড়া ইপিএস কমেছে ০.২২ টাকা।
আরএন স্পিনিং:—
প্রথম প্রান্তিকে আরএন স্পিনিংয়ের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে (excluding dividend on preference share) ২ কোটি ৭৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.১১ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১৯ কোটি ২৩ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ০.৭৮ টাকা। অর্থাৎ প্রান্তিক প্রতিবেদনে এ কোম্পানির মুনাফা কমেছে ১৬ কোটি ৪৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এছাড়া ইপিএস কমেছে ০.৬৭ টাকা।
প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স:—
প্রথম প্রান্তিকে প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা হয়েছে ৮০ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.৩৭ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৯০ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ০.৪১ টাকা। অর্থাৎ প্রান্তিক প্রতিবেদনে এ মুনাফা কমেছে ৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি মুনাফা কমেছে ০.০৪ টাকা।
এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তাবিত ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস হবে ০.৩৩ টাকা (restated)। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৩৭ টাকা।
ইসলামী ইন্স্যুরেন্স:—
প্রথম প্রান্তিকে ইসলামী ইন্স্যুরেন্স বাংলাদেশ লিমিটেডের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৯১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.৩৬ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ২১ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ০.৪৮ টাকা। অর্থাৎ প্রান্তিক প্রতিবেদনে এ কোম্পানির মুনাফা কমেছে ২৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এছাড়া ইপিএস কমেছে ০.১২ টাকা।
এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তাবিত ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস হবে (restated) ০.৩৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৪৩ টাকা।
লিগ্যাসি ফুটওয়্যার:—
প্রথম প্রান্তিকে লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.০৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.০৫ টাকা (restated)। সে হিসেবে কোম্পানির মুনাফা কমেছে ৫০ হাজার টাকা।
এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তাবিত ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস হবে ০.০৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.০৫ টাকা।
পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স:
প্রথম প্রান্তিকে পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা হয়েছে ৯০ লাখ ২০ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.২৬ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৮০ লাখ টাকা এবং ০.২৩ টাকা। অর্থাৎ প্রান্তিক প্রতিবেদনে এ মুনাফা বেড়েছে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি মুনাফা বেড়েছে ০.০৩ টাকা।
এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস হবে ০.২৩ টাকা (restated)। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.২০ টাকা।
প্রাইম ফাইন্যান্স:—
প্রথম প্রান্তিকে প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের কর পরিশোধের পর লোকসান হয়েছে (excluding non controlling interest) ১০ কোটি ৮০ লাখ ৫ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.৪০ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে কর পরিশোধের পর মুনাফায় ছিল ৬ কোটি ৩২ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ০.২৩ টাকা।
বিএসআরএম স্টীল:—
প্রথম প্রান্তিকে বিএসআরএমের কর পরিশোধের পর মুনাফা (excluding non controlling interest) হয়েছে ৩০ কোটি ৩০ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ৪০ কোটি ৩১ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ১.১৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির মুনাফা কমেছে ১০ কোটি ৫০ হাজার টাকা।
জিকিউ বলপেন:—
প্রথম প্রান্তিকে জিকিউ বলপেনের মুনাফা হয়েছে ৩২ লাখ ২০ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.৩৬ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৮৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং ১.০১ টাকা। অর্থাৎ প্রান্তিক প্রতিবেদনে এ মুনাফা কমেছে ৫৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি মুনাফা কমেছে ০.৬৫ টাকা।
জাহিন স্পিনিং:
প্রথম প্রান্তিকে জাহিন স্পিনিংয়ের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৮৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ২ কোটি ১৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.৪১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে ৬৮ লাখ ২০ হাজার টাকা।
এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস হবে ০.৩৮ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৩৫ টাকা।
বিএসআরএম লিমিটেড:—
প্রথম প্রান্তিকে বিএসআরএম লিমিটেডের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.১৮ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ৪ কোটি ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.২৬ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির মুনাফা কমেছে ১ কোটি ১১ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় কমেছে ০.০৮ টাকা।
জেনারেশন নেক্সট:
প্রথম প্রান্তিকে জেনারেশন নেক্সটের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ১৬ কোটি ৭৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ১২ কোটি ৬ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.৩৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে ৪ কোটি ৬৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা বা ৩৮.৯৪ শতাংশ।
এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস হবে ০.৪৫ টাকা (restated)। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৩২ টাকা।
ন্যাশনাল ফিড:
প্রথম প্রান্তিকে ন্যাশনাল ফিডের মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ১৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.৩৭ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ৮৮ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ০.৪৭ টাকা। অর্থাৎ প্রান্তিক প্রতিবেদনে এ মুনাফা বেড়েছে ২৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি মুনাফা কমেছে ০.১০ টাকা।
এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তাবিত ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস হবে ০.৩৪ টাকা (restated)। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৪১ টাকা।
 প্রিমিয়ার লিজিং:
প্রথম প্রান্তিকে প্রিমিয়ার লিজিংয়ের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে  ৭১ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.০৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ৩১ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.০৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে ৪০ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স:—
প্রথম প্রান্তিকে রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৫১ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ২ কোটি ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.৮১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির মুনাফা কমেছে ৫৩ লাখ ২০ হাজার টাকা।
এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তাবিত ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস হবে ০.৫৫ টাকা (restated)। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৭৪ টাকা।
গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স:
প্রথম প্রান্তিকে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.৭৫ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ৯৯ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ০.৭৪ টাকা। অর্থাৎ প্রান্তিক প্রতিবেদনে এ মুনাফা বেড়েছে ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি মুনাফা বেড়েছে ০.০১ টাকা।
এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তাবিত ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস হবে ০.৬৮ টাকা (restated)। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৬৭ টাকা।
 সোনারগাঁও টেক্সটাইল:—
প্রথম প্রান্তিকে সোনারগাঁও টেক্সটাইলের কর পরিশোধের পর লোকসান হয়েছে ১ কোটি ৫২ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.৫৭ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে লোকসান ছিল ৫৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.২৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির লোকসান বেড়েছে ৯২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির পুঁঞ্জিভুত লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স:
প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে ৫ লাখ ৯০ হাজার ৮৬২ টাকা। এ সময়ে এ কোম্পানির কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৩৮ লাখ ৭৬ হাজার ৬১ টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.৫৯ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ৩২ লাখ ৮৫ হাজার ১৯৯ টাকা ও ০.৫৬ টাকা। অর্থাৎ প্রান্তিক প্রতিবেদনে এ কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে ৫ লাখ ৯০ হাজার ৮৬২ টাকা। এছাড়া ইপিএস বেড়েছে ০.০৩ টাকা।
সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স:—
প্রথম প্রান্তিকে সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৫৯ লাখ ৩৩ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬২ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩ কোটি ৭৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ০.৯১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির মুনাফা কমেছে ১ কোটি ১৯ লাখ ১৭ হাজার টাকা। অন্যদিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমান (এনওসেএফপিএস) হয়েছে ০.৩৯ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.০১ টাকা।
ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স:—
সমাপ্ত প্রান্তিকে ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৭৮ লাখ ২২ হাজার ৪২৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮৮ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩ কোটি ৭০ লাখ ৯৩ হাজার ১০৫ টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.৮৬ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির আয় কমেছে ৭ লাখ ২৯ হাজার ৩২২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে ০.০২ টাকা।
এদিকে, সর্বশেষ ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করে। আলোচিত বিগত অর্থবছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়ায় ২.৫২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৭.৩৩ টাকা।
প্রাইম ইন্স্যুরেন্স:
প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত প্রতিবেদনে কর পরিশোধের পর নীট মুনাফা ৩৫ শতাংশ অর্থাৎ ৩০ লাখ ৪৫ হাজার টাকা বেশি দেখিয়েছে। জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ, ২০১৫ সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটি কর পরিশোধের পর নীট মুনাফা করেছে এক কোটি ১৮ লাখ ১৫ হাজার টাকা। এই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২৯ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে এই মুনাফা ছিল ৮৭ লাখ ৬৯ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.২৩ টাকা। সে হিসেবে মুনাফা বেড়েছে কোম্পানিটির।
প্রসঙ্গত, কোম্পানিটি ২০১৪ অর্থ বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ ক্যাশ এবং ৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দিয়েছে।
বিডি সার্ভিসেস:—
আলোচিত প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির কর পরিশোধের পর মুনাফার পরিমান দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৩৫ লাখ ৫৬ হাজার ৬১৩ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৬ কোটি ৬২ লাখ ২০ হাজার ৮৯২ টাকা। এ হিসেবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় মুনাফা কমেছে ২৬ লাখ ৬৪ হাজার ২৭৯ টাকা।
এদিকে, এ প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) আগের বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় ৩.৮৫ শতাংশ বা ০.০৩ টাকা কমে ০.৭৫ টাকা হয়েছে। আগের বছরের একই সময় তা ০.৭৮ টাকা ছিল।
কোম্পানির মূল ব্যবসা রুপসী বাংলা হোটেল উন্নয়ন কাজের জন্য বন্ধ থাকায় মুনাফায় পতন এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ছয়মাসের বেশি সময় ধরে উৎপাদন বন্ধ থাকায় কোম্পানিটি বর্তমানে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে।
২০১৪ সালে সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানি সাধারন বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো ধরনের ডিভিডেন্ড দিতে পারেনি।
ন্যাশনাল ব্যাংক:
প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত প্রতিবেদনে কর পরিশোধের পর নীট মুনাফা ১৭ শতাংশ অর্থাৎ ৫ কোটি ৭৯ লাখ ৩৪ হাজার টাকা বেড়েছে। জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ, ২০১৫ সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটি কর পরিশোধের পর নীট মুনাফা করেছে ৩৯ কোটি ৫৪ লাখ ৮ হাজার টাকা। এই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২৫ টাকা। আগের বছর একই সময়ে এই মুনাফা ছিল ৩৩ কোটি ৭৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.২২ টাকা।
আলোচিত প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটির সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৩৯ কোটি ৮৯ লাখ ৭৬ হাজার টাকা এবং ইপিএস হয়েছে ০.২৬ টাকা। আগের বছর একই সময়ে এই সমন্বিত মুনাফা ছিল ৩৫ কোটি ৬৬ লাখ ২ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.২৩ টাকা।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সমাপ্ত অর্থ বছরের জন্য ব্যাংকটি বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দিয়েছে।
সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট:
প্রথম প্রান্তিকে এ কোম্পানিটির কর পরিশোধের পর মুনাফা ১৭ লাখ ৫৭ হাজার ২৮১ টাকা বেশি দেখিয়েছে। প্রথম প্রান্তিকে এ কোম্পানির কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ২৭ লাখ ২২ হাজার ৪৩৩ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.২৫ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৪ কোটি ৯ লাখ ৬৫ হাজার ১৫২ টাকা ও ০.২৫ টাকা। গত অর্থবছরের বেসিক ইপিএস ০.২৫ টাকা হলেও রেস্টেড ইপিএস হয়েছে ০.২৪ টাকা।
এছাড়া প্রান্তিক আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৯.৪৭ টাকা।
ইউনিক হোটেল:
প্রথম প্রান্তিকের কোম্পানির কর পরিশোধের পর মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে। প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির কর পরিশোধের পর মুনাফার পরিমান দাঁড়িয়েছে ২২ কোটি ৫০ লাখ ৬০ হাজার ৮১৯ টাকা যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২০ কোটি ৮০ লাখ ৬৪ হাজার ৪৫০ টাকা। এ হিসেবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় মুনাফা বেড়েছে ১ কোটি ৬৯ লাখ ৯৬ হাজার ৩৬৯ টাকা।
এদিকে, এ প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) আগের বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় ০.০৫ টাকা বেড়ে ০.৭৬ টাকা হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে তা ০.৭১ টাকা ছিল।
২০১৪ সালে সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানি সাধারন বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড প্রদান করে। এ সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয়ের (ইপিএস) পরিমান দাঁড়ায় ৩.২৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়ায় ৮৭.৭৪ টাকা।
ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স:—
প্রথম প্রান্তিকে ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৬ টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.৭১ টাকা। আগের বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৫ কোটি ৭২ লাখ ১১ হাজার ৯১৭ টাকা এবং ১.০৬ টাকা।  সে হিসেবে আয় কমেছে কোম্পানিটির।
গ্রীনডেল্টা ইন্স্যুরেন্স:
প্রথম প্রান্তিকে গ্রীনডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের কর পরিশোধের পর নীট মুনাফা ৭.৫৭ শতাংশ অর্থাৎ ৪১ লাখ ৯০ হাজার টাকা বেড়েছে। জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ, ২০১৫ সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটি কর পরিশোধের পর নীট মুনাফা করেছে ৫ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। এই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭৪ টাকা। আগের বছর একই সময়ে এই মুনাফা ছিল ৫ কোটি ৫৩ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.৬৯ টাকা।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ ক্যাশ এবং ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দিয়েছে।
পিপলস ইন্স্যুরেন্স:—
প্রথম প্রান্তিকে পিপলস ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৩৮ লাখ ৯২ হাজার ২৯৪ টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.৩০ টাকা। আগের বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ২ কোটি ৬৩ লাখ ৬৯ হাজার ৭৭৩ টাকা ও ০.৫৭ টাকা। সে হিসেবে মুনাফা কমেছে কোম্পানিটির।
ইউনাইটেড কমার্সিয়াল ব্যাংক:—
প্রথম প্রান্তিকে ইউনাইটেড কমার্সিয়াল ব্যাংকের কর পরিশোধের পর নীট মুনাফা ১৬ শতাংশ অর্থাৎ ১৫ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা কমেছে। প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটি কর পরিশোধের পর নীট মুনাফা করেছে ৮০ কোটি ৩৫ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। এই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮০ টাকা। আগের বছর একই সময়ে এই মুনাফা ছিল ৯৫ কোটি ৬২ লাখ ২৯ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.৯৫ টাকা।
আলোচিত প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটির সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৮১ কোটি ৫৪ লাখ ৩৪ হাজার টাকা এবং ইপিএস হয়েছে ০.৮১ টাকা। আগের বছর একই সময়ে এই সমন্বিত মুনাফা ছিল ৯৬ কোটি ২৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.৯৬ টাকা।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সমাপ্ত অর্থ বছরের জন্য ব্যাংকটি বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ ক্যাশ এবং ২০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেয়।
ইন্টারন্যাশনাল লিজিং:—-
আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেড প্রথম প্রান্তিকে এ কোম্পানিটি কর পরবর্তী কনসোলিডেটেড লোকসান করেছে ১৩ কোটি ১০ লাখ ৬২ হাজার ৮২৩ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটি লোকসান করেছিল ৫ কোটি ৪৭ লাখ ৭৯ হাজার ৯৪৪ টাকা। আর শেয়ার কনসোলিডেটেড লোকসান করেছে ০.৭৭ টাকা। আগের বছর একই সময় কোম্পানিটির লোকসান ছিল ০.৩২ টাকা।
সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি:
প্রথম প্রান্তিক এ কোম্পানির  মুনাফা বেড়েছে ১.৪০ গুণ বা ৬ কোটি ৪৩ লাখ ৯২ হাজার ১২৫ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে ০.৪৩ টাকা। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, প্রান্তিক প্রতিবেদনে সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ২২ কোটি ৪৭ লাখ ২৭ হাজার ৭১২টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) (Restated) হয়েছে ১.৪৮ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১৬ কোটি ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫৮৭ টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় ছিল ১.০৫ টাকা।
আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ৩০.৯৬ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১.৭০ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে (এনএভিপিএস) ২৯.৪৮ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) ছিল ১.৩৫ টাকা।
সামিট পাওয়ার লিমিটেড:
প্রথম প্রান্তিকে এ কোম্পানির  মুনাফা বেড়েছে ১৮ কোটি ৯২ লাখ ৮৬ হাজার ৭৭০ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে ০.২৩ টাকা। প্রান্তিক প্রতিবেদনে সামিট পাওয়ার লিমিটেডের কর পরিশোধের পর মুনাফা (Consolidated) হয়েছে ৮৭ কোটি ২৪ লাখ ২২ হাজার ৩৬৩টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস)(Consolidated) হয়েছে ০.৯৮ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৬৮ কোটি ৩১ লাখ ৩৫ হাজার ৫৯৩টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় ছিল ০.৭৫ টাকা।
আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ২৭.৯৫ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১.১৪ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে (এনএভিপিএস) ২৬.৪৩ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) ছিল ১.১৫ টাকা।

Saturday, 18 April 2015

Bad share


২০ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ

DSE-শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ২০ শতাংশ অর্থাৎ ৫৮টি কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে পিই রেশিও ৪০ এর উপরে রয়েছে এমন কোম্পানির সংখ্যা ৩৩টি। অপরদিকে পিই রেশিও নেগেটিভে রয়েছে এমন কোম্পানির সংখ্যা ২৫টি।
তাই এসব কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করা থেকে বিরত থাকা অথবা বুঝে শুনে বিনিয়োগ করার জন্য সাধারণ এবং ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ দিয়েছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
প্রসঙ্গত, বর্তমান শেয়ার দরকে ইপিএস দিয়ে ভাগ করলে পিই রেশিও পাওয়া যায়। আর শেয়ার দর এবং ইপিএস এর মধ্যে ব্যবধান বেশি হলে পিই রেশিও বাড়বে। এই পিই রেশিও ৪০ এর উপর অবস্থান করলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচিত হবে। তাছাড়া, পিই রেশিও ৪০ এর উপর থাকা কোম্পানিগুলোর শেয়ারের বিপরীতে বিনিয়োগকারীদের মার্জিণ সুবিধা না দেয়ার জন্য মার্চেন্ট ব্যাংক এবং ব্রোকারেজ হাউজগুলোর প্রতি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনাও রয়েছে। নির্দেশনাতে আরো বলা হয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ পিই সম্পন্ন কোম্পানির শেয়ারের বিপরীতে মার্জিণ সুবিধা দেয়া একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
জানা যায়, ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ঝুঁকিপূর্ণ পিই রয়েছে এমন কোম্পানির সংখ্যা ২১টি। এ কোম্পানিগুলো হলো: এসিআই (পিই-৫৬.৫২), এসিআই ফর্মুলেশন (পিই-৪৩.৪৪), আল-হাজ্জ্ব টেক্সটাইল (পিই-৮৯.১৮), এমবি ফার্মা (পিই-৬৩.৩১), এটলাস বাংলাদেশ (পিই-২৯৯৭.৫), বঙ্গজ (পিই-৬৫.৬৫), বিডি-ল্যাম্পস (পিই-৫০.৭৮), বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল (পিই-১৫৩.৮২), দেশ গার্মেন্টস (পিই-৪০.০০), ইস্টার্ণ লুব্রিকেন্ট (পিই-১১৫), ইস্টার্ন ক্যাবলস (পিই-৭৫.৩৩), জিকিউ বলপেন (পিই-৪০.০৮), জেএমআই সিরিঞ্জ (পিই-৫১.৮১), লিব্রা ইনফিউশন (পিই-১০৪.৭৬), মুন্নু স্টাফলার (পিই-২৩৪.৫৫), নর্দার্ণ জুট (পিই-২২৫), রেনউইক যজ্ঞেশ্বর (পিই-৫৫.২১), সামিট এলায়েন্স পোর্ট (পিই-৬৭.২), সোনালী আঁশ (পিই-১৫৫.৬৩), স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকস (পিই-৬৫.৭৭) এবং ন্যাশনাল পলিমার (পিই-৪৫.২৭)।
অপরদিকে, ‘এ’ ক্যাটাগরিতে বর্তমানে লোকসানে রয়েছে অর্থাৎ পিই নেগেটিভে রয়েছে এমন কোম্পানির সংখ্যা ৬টি। এগুলো হলো: বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, ইনটেক অনলাইন লিমিটেড, ন্যাশনাল টি, ন্যাশনাল টিউবস, পাওয়ারগ্রীড বাংলাদেশ এবং উসমানিয়া গ্লাস।
এদিকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ঝুঁকিপূর্ণ পিই রেশিও রয়েছে এমন কোম্পানির সংখ্যা ৬টি। এ কোম্পানিগুলো হলো: আনোয়ার গ্যালভানাইজিং (পিই-৫৭.৩৪), সিভিও পেট্রোক্যামিকেল (পিই-৪৩.৭৩), হাক্কানি পাল্প অ্যান্ড পেপার্স (পিই-৫০.৯৫), লিগ্যাসি ফুটওয়্যার (পিই-৭২.৫), মিরাকেল ইন্ডাস্ট্রিজ (পিই-৪৩) এবং মুন্নু সিরামিকস (পিই-১২৮.৫)। জেমিনি সী ফুড নেগেটিভ পিই-তে রয়েছে।
অন্যদিকে, ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে ঝুঁকিপূর্ণ পিই রয়েছে এমন কোম্পানির সংখ্যা ছয়টি। এগুলো হলো: বিডি অটোকার্ড (পিই-১২৫.৭১), বিকন ফার্মা (পিই-২৩৫), বেক্সিমকো সিনথেটিক (পিই-১২০), ইনফর্মেশন সার্ভিস লি: (পিই-৯০), লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট (পিই-৪৪.৪৯) এবং প্রিমিয়ার লিজিং (পিই-৯২.৫)।
একই ক্যাটাগরিতে নেগেটিভ পিই রয়েছে এমন কোম্পানির সংখ্যা ১৮টি। এগুলো হলো: আজিজ পাইপস, দুলামিয়া কটন, ফাইন ফুডস, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, ইমাম বাটন, জুট স্পিনিং, কে অ্যান্ড কিউ, মেঘনা কনডেস্ক মিল্ক, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ, মাইডাস ফাইন্যান্স, মডার্ণ ডাইং, রহিমা ফুড, সমতা লেদার, সাভার রি-ফ্যাকটরিজ, শ্যামপুর সুগার, সোনারগাঁও টেক্সটাইল, তাল্লু স্পিনিং এবং ঝিলবাংলা সুগার।
এ বিষয়ে পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আবু আহমেদ শেয়ারবাজার নিউজ ডট কমকে বলেন, সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ করতে হলে কোম্পানির পিই রেশিও দেখে বিনিয়োগ করা উচিত। এতে বিনিয়োগে ঝুঁকি কমবে। তাছাড়া এ বাজারে এমন অনেক কোম্পানি আছে যাদের আয়ের সাথে শেয়ারদরের সামঞ্জস্যতা নেই। অর্থাৎ মুনাফা কম কিন্তু শেয়ার দর বেশি। এসব কোম্পানি বাজারে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। তাই বিএসইসিকে এ বিষয়ে আরও সক্রিয়া ভূমিকা পালন করতে হবে।

Friday, 27 March 2015

odesk account rule

ওডেস্ক অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হওয়ার ৯টি কারণ এবং সমাধান
=========================================
অতি সম্প্রতি ওডেস্কে বাংলাদেশসহ বেশ কিছু দেশের ফ্রিল্যান্সারদেরঅ্যাকাউন্ট ব্যান করা হয়েছে। যেসব অ্যাকাউন্ট ব্যান করা হয়েছে সেগুলি পর্যালোচনা করলে জানা যায় তাতে ব্যান হওয়ার মত যথেষ্ট কারণ ছিল। শুধুমাত্র ফ্রিল্যান্সারদের নয় বরং বায়ারদেরও অ্যাকাউন্ট ব্যান করা হচ্ছে এবং এগুলির পিছনে যথেষ্ট কারণ রয়েছে। তাইআপনাদের যাদের ওডেস্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে তাদের এখনই সময় সতর্ক হবার। কারণ, সাবধানের মার নাই। আমাদের সকলের একটা দোষ আছে সেটি হচ্ছে রোগ একবার হয়ে গেলে সেটি সারানোর জন্য ওষুধ তো ওষুধ পারলে ডাক্তার, বদ্যি, কবিরাজ ও বেটে খাই। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় কাজের কাজ আর হয় না। অথচরোগটি হওয়ার পূর্বে আমাদের এ ব্যাপারে কোন সচেতনতা থাকে না। তাই আমাদের আগেভাগেই জানতে হবে কি কি কারণে রোগ হয় এবং রোগ যেন না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে । কারণ আমরা সকলেই জানি “Prevention is better than cure”. তো চলুন আগে দেখে নেওয়া যাক কি কি কারণেওডেস্কের আ্যাকাউন্ট ব্যান হতে পারে। 

১. এক পিসি থেকে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা একই পিসি বা আইপি থেকে একাধিক ওডেস্ক অ্যাকাউন্ট তৈরী করা। এটি ওডেস্ক অ্যাকাউন্ট ব্যান হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ।

৩. কাভার লেটার স্প্যামিং ওডেস্ক অ্যাকাউন্ট ব্যান হওয়ার আরেকটি বড়কারণ কাভার লেটার স্প্যামিং, যেটির কারণ মূলত কপি পেস্ট। মনে রাখবেন কপি পেস্ট করা আপনার জন্য হারাম। অন্যের কাভার লেটার তো কপি করবেনই না, বরং নিজেরকাভার লেটারও বারংবার কপি না করে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে লিখুন।

 ৪. কাভার লেটারে কন্টাক্ট ইনফরমেশন দেওয়া এবার একটা সহজ বিষয় বলব। যেটা ”আমরা সকলেই জানি, তবে অনেকেই না মানি” এই টাইপের। সেটি হচ্ছে কাভার লেটারে কোন প্রকার কন্টাক্ট ইনফরমেশন দেওয়া। কন্টাক্ট ইনফরমেশন দিলে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যান হয়ে যাবে এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। 

৫. বায়ারদের জন্য সতর্কতা আপনাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ওডেস্কের বায়ার। তাদের জন্য একটাসতর্কবাণী। আপনারা আপনাদের নিজস্ব কোন টিম মেম্বারকে হায়ার করবেন না। এতে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যান হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া আপনার অ্যাকাউন্টে যদি টাকা না থাকে তাহলে পরে পে করবেন। কাউকে কোন রকম এডভান্স পেমেন্ট করবেন না। এ কাজটি করলে আপনিও ক্ষমা পাবেন না। সুতরাং এসব ঝামেলা এড়িয়ে চলুন। 

৬. বায়ারের সঙ্গে বাকবিতন্ডা করা বায়ার যদি আপনার সাথে কোন রকম ৯/৬ করে তাহলে নিজে আ্যকশনে যাবার কোন দরকার নেই। বায়ারের সাথে কোন রকম বাকবিতন্ডাকরবেন না। কারণ বায়ারেরনেগেটিভ কমপ্লিমেন্ট আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই এক্ষেত্রে আপনি বায়ারের সকল উল্টাপাল্টা কর্মকান্ডের স্ক্রীনশট, তথ্য প্রমানাদি সংরক্ষন করুন এবং ঠান্ডা মাথায় ওডেস্ক কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দিন। তাহলে ওডেস্কই বায়ার বেটাকে বুঝিয়ে দেবে “কত গমে, কতআটা”। 

৮. প্রোফাইল নকল করা কখনই অন্যের প্রোফাইলের কার্বনকপি আপনার প্রোফাইলে বসাবেন না, সোজা বাংলায় নকল করবেন না। নকল করলেন তো মরলেন; মানে আপনার ওডেস্ক অ্যাকাউন্ট সোজা মায়ের ভোগে চলে যাবে। একটা কথা মনে রাখবেন, ভাল একজন ফ্রিল্যান্সারের প্রোফাইলের অনুকরণ নয়, অনুসরণই আপনাকে সঠিক গন্তব্যে পৌছাতে সাহায্য করতে পারে। 

৯. অন্যের পোর্টফোলিও নিজের নামে চালানো এখন যে কথাটি বলব সেটি আপনি ভালভাবেই জানেন। তারপরও একবার মনে করিয়েদিই। আপনি কখনই অন্যের পোর্টফোলিও নিজের নামে চালাতে যাবেন না। যদি এ কাজটি করেন তাহলে ফলাফল নগদেই হাতে হাতে পেয়ে যাবেন্। ফলাফল যে কী সেটা আর বলার প্রয়োজন মনে করলাম না। 

ইতিমধ্যেইযারা আ্যাকাউন্ট ব্যানের শিকার হয়েছেন তাদেরকে বলব ভেঙ্গে পড়ার কিছু নাই। আবার নতুনভাবে সবকিছু শুরু করুন। অন্যদিকে যারা নতুনভাবে অল্প বিস্তর কাজ শিখে সবেমাত্র আ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন, তাদেরকে বলব আপনারা ভালভাবে কাজ শিখুন, তারপর সবকিছু শুরু করুন।এটি আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারকে সাফল্যমন্ডিত করতে সাহায্য করবে। আর যাদের ওডেস্ক আ্যাকাউন্ট এখনও সহী সালামতে আছে তারা উপরে উল্লেখিত ভুলগুলি করা থেকে নিজেদের শত হাত দুরে রাখবেন। তাহলে আশা করি আল্লাহর রহমতে আপনারআ্যকাউন্টের কোন সমস্যা হবে না। নতুনভাবে যারা আ্যাকাউন্ট খুলবেন তারা অবশ্যই প্রোফাইলটা সুন্দর করে সাজাবেন। জানেনতো কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে একটা ভাল প্রোফাইলের গুরুত্ব কতখানি। এছাড়াও আপনার আ্যকাউন্ট ভেরিফিকেশনেরকাজটি আগেভাগেই সেরে নিন। এটি আপনার আ্যকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।